বাইডেনের অভিশংসন তদন্তে প্রতিনিধি পরিষদের অনুমতি


Md Firoj প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ১৪, ২০২৩, ১২:৩৭ অপরাহ্ন /
বাইডেনের অভিশংসন তদন্তে প্রতিনিধি পরিষদের অনুমতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের বিরুদ্ধে চলমান অভিশংসন তদন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করেছে মার্কিন কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদ। স্থানীয় সময় বুধবার (১৩ ডিসেম্বর) রিপাবলিকান-নিয়ন্ত্রিত প্রতিনিধি পরিষদে ২২১-২১২ ভোট পেয়ে এই তদন্ত পাস হয়েছে। বৃহস্পতিবার বার্তাসংস্থা রয়টার্স এই খবর প্রকাশ করেছে।

প্রেসিডেন্ট বাইডেন তার ছেলে হান্টার বাইডেনের বৈদেশিক ব্যবসা থেকে অন্যায়ভাবে কোনও সুবিধা নিয়েছেন কি না, তা তদন্ত করে দেখবে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদ। তিন মাস আগে অনানুষ্ঠানিকভাবে এ তদন্ত শুরু করেছিল রিপাবলিকানরা।

তবে ডেমোক্র্যাট এই নেতার বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনও অন্যায়ের প্রমাণ খুঁজে না পাওয়া সত্ত্বেও রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত প্রতিনিধি পরিষদে বুধবার এ নিয়ে ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাইডেনের অভিশংসনের পক্ষে ভোট পড়ে ২২১টি আর বিপক্ষে ২১২।

এই তদন্তের পক্ষে তেমন কোনও তথ্যউপাত্ত নেই দাবি করে তা প্রত্যাখ্যান করেছে হোয়াইট হাউস। তাদের দাবি, এই অভিযোগ ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটিক প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বাইডেন। এই নির্বাচনের তার সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে দুইবার অভিশংসিত হওয়া প্রথম প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। বর্তমানে চারটি ফৌজদারি মামলার বিচারের মুখোমুখি হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।

প্রতিনিধি পরিষদের রিপাবলিকানদের এ উদ্যোগ প্রায় নিশ্চিতভাবে ব্যর্থ হবে বলে মনে করছে রয়টার্স। কেননা মার্কিন কোনও প্রেসিডেন্টকে অভিশংসনের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত করতে হলে সিনেটে দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে প্রস্তাবটি পাস হতে হয়। সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের ৫১টি আর রিপাবলিকানদের ৪৯টি আসন থাকায় সেখানে এ ধরনের সমর্থন প্রায় অসম্ভব।

কোনও প্রমাণ নেই

এর আগে সোমবার, একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠকে হান্টার বাইডেনকে সাক্ষ্য দিতে বলা হয়। তখন হান্টার সাফ জানান, শুধু জনসমক্ষেই সাক্ষ্য দেবেন তিনি। বাইডেনপুত্রের আশঙ্কা, তার কথাগুলো ভুলভাবে উপস্থাপন করা হতে পারে।

হান্টার বাইডেন বলেন, ‘আমার বাবা আমার ব্যবসার সঙ্গে আর্থিকভাবে জড়িত ছিলেন এমন অভিযোগ সমর্থনে কোনও প্রমাণ নেই। কারণ আদতে এমনটা ঘটেইনি।’

তবে কমিটির সদস্যরা সতর্ক করেছেন, কংগ্রেসকে অবমাননার দায়ে তার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ফলসরূপ তার জেল হতে পারে।