
স্পোর্টস ডেস্ক
সাদা বলের ক্রিকেটে ২০২১ সালের মার্চ থেকেই ছিলেন না অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ। বলা যায় ‘অবহেলিত’ ছিলেন! নিউজিল্যান্ড সিরিজ দিয়ে ওয়ানডেতে সেই খরা কাটিয়েছেন গত মার্চে। গতকাল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি দিয়েও এই ফরম্যাটে ফিরেছেন প্রায় তিন বছর পর। এতদিন দলে না থাকার পেছনে যে একটা কারণ ছিল সেটা বোঝা গেলো তার ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ায়। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ম্যাচসেরার পারফরম্যান্সের পর আগের নির্বাচক প্যানেলকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন তিনি।
কিছুদিন আগেই নতুন নির্বাচক প্যানেল নিয়োগ করেছে শ্রীলঙ্কা। যার নেতৃত্বে আছেন উপুল থারাঙ্গা। এই পরিবর্তনের পরই ম্যাথুজের দলে ফেরার সুযোগ হয়েছে। ফিরেই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ৩ উইকেটের জয়ে ব্যাট হাতে অবদান রেখেছেন। ৩৮ বলে খেলেছেন ৪৬ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস। শেষ ওভারে তার দুই বাউন্ডারিতেই ম্যাচ জয়ের কাছে চলে আসে শ্রীলঙ্কা।
কিন্তু প্রমোদা বিক্রমাসিংয়ের আগের নির্বাচক কমিটি সাইডলাইনে রেখে দিয়েছিল তাকে। ম্যাচের পর এতদিন খেলতে না পারার বিষয়টি খোলাসা করেন তিনি, ‘লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে সর্বশেষ দুই মৌসুমে আমি ভালো ব্যাটিং ও বোলিং করেছি। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত আমাকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বিবেচনা করা হয়নি। কেন করা হয়নি সেটার কারণও জানানো হয়নি। আসলে কেউ যদি কোনও অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়নে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে, তখন এমনটাই হয়ে থাকে। অথচ আমরা চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতেই কোয়ালিফাই করতে পারিনি।’
ভারতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের সময় ওয়ানডেতে ফেরার নতুন জীবন পান ম্যাথুজ। মাঝপথে মাথিশা পাথিরানার বিকল্প হিসেবে যোগ দেন দলে। এর আগে বার বার চোটের হানা কাল হয়ে দাঁড়িয়েছিল। যার প্রভাব পড়েছিল তার বোলিংয়ে। গতকাল জানিয়েছেন, ওয়ানডে বিশ্বকাপের সময় ফিটনেস আর বোলিংয়ে কার্যকরী হতে ট্রেনিংয়ে প্রচুর সময় দিয়েছেন তিনি, ‘একটা বিষয় আমি উপলব্ধি করেছি, আপনি যদি প্রচুর অনুশীলন ও হৃদয় নিংড়ে সর্বোচ্চটা দেন, তাহলে ভালো পারফরম্যান্সের একটা পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব। আমি গত কয়েক বছর সেই চেষ্টাটা সর্বোচ্চ পর্যায়ে রাখার চেষ্টা করেছি। এখন আমার মনে হয় হয়তো আরও কিছুদিন খেলে যেতে পারবো।’
আপনার মতামত লিখুন :