‘ফুড পয়জনিং’ পেরিয়ে তিশার সিনেমা ‘পয়জন’


Md Firoj প্রকাশের সময় : ফেব্রুয়ারী ৩, ২০২৪, ১:১৪ অপরাহ্ন /
‘ফুড পয়জনিং’ পেরিয়ে তিশার সিনেমা ‘পয়জন’

আশ্রয় ডেস্ক

ছোট পর্দার বড় নায়িকা তানজিন তিশার সিনেমা ‘পয়জন’। বড় পর্দা নয়, ছবিটি চলবে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে। খবরটি অনেকটা চমকের মতোই হঠাৎ সামনে আনলেন এর নির্মাতা সঞ্জয় সমদ্দার। যিনি হায়ারে গিয়ে টলিউডে বানিয়েছেন জিতের জন্য সিনেমা ‘মানুষ’। অভিষেকেই নাম কুড়িয়ে ঢাকা ফিরেছেন সম্প্রতি। এর আগে ছোট পর্দা আর ওয়েবের জন্য অসংখ্য প্রশংসিত ফিকশন রয়েছে তার নির্মাণের খাতায়।

ফলে নির্মাতা বিচারে ‘পয়জন’ দর্শকদের জন্য বাড়তি প্রত্যাশার খোরাক জুগিয়ে রেখেছে। অপেক্ষা শুধু দীপ্ত প্লে-তে অন-এয়ারের। নির্মাতা জানান, ঈদের বিশেষ সিনেমা হিসেবেই এটি মুক্তি দেবে দীপ্ত কর্তৃপক্ষ। 

খবরটি এখানেই শেষ হতে পারতো। বড়জোর নির্মাতার একটি প্রতিক্রিয়া যুক্ত হতো। যেখানে তিনি বাংলা ট্রিবিউন মারফত সবাইকে অবাক করে এটুকুও জানাতে পারতেন, ‘শুধু ঘোষণাই নয়। আমরা শুটিংও শেষ করে ফেলেছি পুরো সিনেমার। সব শেষ করে ঘোষণাটি দিলাম। কারণ, কাজের আগে কথা বললে সেটি নির্মাণে ব্যাঘাত ঘটে। আমরা কাজটি করতে চেয়েছি নিরিবিলি, সেটাই হয়েছে।’

শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে নির্মাতা জানিয়েছেনও হুবহু তাই। যদিও তাতে খটকা জমলো বেশ। কারণ, ঘটনাটি এতো দ্রুত মুছে যাবার কথা নয়। গত নভেম্বরে তানজিন তিশার রিয়েল লাইফ ঘিরে যা ঘটলো। সেটিরই যেন প্রতিধ্বনি মিললো সিনেমার নামে (পয়জনিং) এবং নীরব শুটিংয়ের মাধ্যমে!

এটা কাকতাল হতে পারে। হতে পারে উল্টোটাও। গত নভেম্বরে তানজিন তিশার ‘আত্মহত্যা চেষ্টা’ কিংবা ‘ফুড পয়জনিং’ নিয়ে যে লঙ্কাকাণ্ড বেঁধে গেলো মিডিয়ায়, সালিশ গড়ালো ‘ভাতের হোটেল’ অবধি; তবে কি তারই প্রতিচ্ছবি উঠে আসবে ‘পয়জন’-এ! আবার এমনটাও তো হতে পারে, ‘বিষ’ খেয়ে অচেতন তানজিন তিশা মধ্যরাতে ঢাকা ম্যাডিকেলে যাওয়ার ঘটনাটি শুটিংয়েরই অংশ ছিলো! কারণ, সেই ঘটনার পর তিশাকে সে অর্থে আর বড় কোনও প্রজেক্টে বা খবরে মেলেনি। একইভাবে সঞ্জয় সমদ্দারও ‘মানুষ’ পেরিয়ে বিশেষ কোনও ঘোষণায় যাননি।

ফলে তানজিন তিশার ‘ফুড পয়জনিং’-এর সঙ্গে ‘পয়জন’ প্রসঙ্গ টানতেই নির্মাতা খানিক থতমত খেলেন। নিজেকে সামলে বললেন, ‘না না। একদমই না। আপনি বলার পরই মনে পড়লো সেই ঘটনার কথা। সেটার সঙ্গে এই সিনেমার কোনও সম্পর্ক নেই, না গল্পে না চরিত্রে। নামের বিষয়টি কাকতাল হতে পারে।’

এই ছবিটি নিয়ে সঞ্জয়কে বেশ আত্মবিশ্বাসী মনে হলো। তিশাদের অভিনয়ে বেজায় তৃপ্ত। বললেন, ‘নির্মাতা হিসেবে আমি ধীরে ধীরে আগানোর মানুষ। প্রতিটি কাজই আমার কাছে পরীক্ষার মতো। যেন নিজের শেষ কাজটির চেয়ে বেটার কিছু করতে পারি। ফলে এই কাজটিতেও সেই চেষ্টা ছিলো, নিজেকে অতিক্রম করার। গল্পটা সাসপেন্স থ্রিলার। ব্রুটালিটি আছে প্রচুর। ট্যাগলাইন- টিকে থাকার গল্প। এক একটা মানুষ টিকে থাকার জন্য কতো রকমের যুদ্ধ করে, সেটাই তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। বাকিটা দর্শক-সমালোচকরা বলবেন।’