পরিবেশবান্ধব পাটপণ্যের রপ্তানি বাড়াতে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে : নানক


Md Firoj প্রকাশের সময় : ফেব্রুয়ারী ২৯, ২০২৪, ২:১৭ অপরাহ্ন /
পরিবেশবান্ধব পাটপণ্যের রপ্তানি বাড়াতে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে : নানক

আশ্রয় ডেস্ক

পরিবেশবান্ধব পাটপণ্যের রপ্তানি বাড়াতে এক সঙ্গে কাজ করতে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহবান জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক এমপি।
তিনি আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর মতিঝিলে বাংলাদেশ জুট মিলস্ এসোসিয়েশন (বিজিএমএ) নেতাদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এ আহবান জানান।
এসময় কাজী নাবিল আহমেদ এমপি, মজিবুর রহমান মজনুএমপি, বস্ত্র ও পাট সচিব মো. আব্দুর রউফ, এফবিসিসিআই প্রেসিডেন্ট মাহবুবুল আলম, বিজিএমএ চেয়ারম্যান মো. আবুল হোসেনসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, পাট আমাদের প্রধান রপ্তানি পণ্য ছিল। কিন্তু আমাদের গর্বের পাট অনেকটা হারিয়ে গিয়েছিল। বর্তমান টেকসই উন্নয়নের যুগে বিশ্বব্যাপী পরিবেশবান্ধব পাট ও পাটপণ্যের ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছে। পরিবেশবান্ধব পাটপণ্যের রপ্তানি বাড়াতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, পাটশিল্পে বেসরকারি খাতের উদ্যোগকে আরো উৎসাহিত করা হবে। সকলে মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে আমরা সফল হতে পারবো। সফল রাষ্ট্রনায়ক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাটশিল্পকে এবং বেসরকারী খাতের উদ্যোগ উৎসাহিত করতে যা যা করণীয় তাই করতে নির্দেশ দিয়েছেন। আপনাদের কর্মচাঞ্চল্য, মেধা মস্তিষ্কের সম্মিলনে পাটপণ্যকে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের অন্যতম প্রধান খাত হিসেবে তৈরি করতে সক্ষম হবো।
তিনি বলেন, সফল রাষ্ট্র নায়ক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে ইতোমধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন, এখন তিনি লক্ষ্য স্থির করেছেন স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করার।
মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে “রূপকল্প-২০৪১” বাস্তবায়নের মাধ্যমে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
সম্প্রতি জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টে অনুষ্ঠিত আম্বিয়ান্তে ফেয়ারে অংশগ্রহণ সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, আমি মেলায় বাংলাদেশ, ভারতসহ অন্যান্য দেশের স্টল পরিদর্শন করেছি। বাংলাদেশ ছাড়াও বিভিন্ন দেশের পাটজাত পণ্যের ডিজাইন ও নিউ ট্রেন্ড দেখেছি। আমি খুবই আশ্চর্যজনকভাবে লক্ষ্য করেছি আমাদের অনেক উদ্যোক্তা চমৎকার পরিবেশবান্ধব পণ্য সামগ্রী নিয়ে মেলায় অংশ গ্রহণ করেছে। এ মেলায় আমার অংশগ্রহণের ফলে আমি আত্মবিশ্বাসী হয়েছি, এ মেলার অভিজ্ঞতা বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।
এর আগে মন্ত্রী মতিঝিলে বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশন (বিজেএমসি)’র কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি বলেন, আমাদের বিজ্ঞানিরা পাটের জীবন রহস্য উদঘাটনের মাধ্যমে পাটের তৈরি সোনালি ব্যাগ তৈরি করতে পেরেছে।
তিনি বলেন, পাট থেকে সোনালি ব্যাগের উৎপাদন কত দ্রুত করা যায় সে বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমেই পাটশিল্পকে আমরা লাভজনক করতে পারবো।