পিরোজরপুরে রবিশস্য মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা পাচ্ছেন কৃষকরা


Md Firoj প্রকাশের সময় : নভেম্বর ১৫, ২০২৩, ৮:১৫ পূর্বাহ্ন /
পিরোজরপুরে রবিশস্য মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা পাচ্ছেন কৃষকরা

সরকারের কৃষি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে পিরোজপুরে চলতি রবিশস্য মৌসুমে প্রণোদনা সহায়তা পাচ্ছেন কৃষকরা।ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের এ সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে প্রণোদনা কর্মসূচি বাস্তবায়নের কাজ ইতোমধ্যেই শুরু করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পিরোজপুরের উপ-পরিচালকের কার্যালয়।
চলতি অর্থ বছরে জেলার ৭ উপজেলার ৫৩টি ইউনিয়ন ও ৪টি পৌর এলাকার ১১ হাজার ৯শত ৫০ জন কৃষক- গম, ভুট্টা, সরিষা, সূর্যমূখী, চিনাবাদাম, সয়াবিন, মুগ, মসুর ও খেসারী চাষের জন্য এ প্রণোদনা সহায়তা পাচ্ছে। এ লক্ষ্যে সরকার ইতিমধ্যেই পিরোজপুর জেলার কৃষকদের জন্য ১ কোটি ৭৩ লক্ষ ৫৩ হাজার ৪৫০ টাকার বরাদ্দপত্র প্রদান করেছে এবং জেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তার কার্যালয় চাষিদের তালিকা চূড়ান্ত করছে। গম চাষের জন্য ৫০০ জন কৃষক প্রণোদনা পাচ্ছে। প্রতিজন ১ বিঘা চাষের জন্য এ প্রণোদনা পাবে। জনপ্রতি ২০ কেজি বীজ, ডিএপি সার ১০ কেজি, এমওপি সার ১০ কেজি বরাদ্দ রয়েছে। ১৩৫০ জন কৃষক ভুট্টা চাষের জন্য প্রত্যেকে প্রতি বিঘায় ২ কেজি বীজ, ২০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার পাচ্ছে। ২৫৫ জন কৃষক সরিষা চাষের জন্য প্রতি বিঘায় ১ কেজি বীজ, ডিএপি ১০ কেজি ও এমওপি ১০ কেজি, সূর্যমূখীর জন্য ৩ হাজার ৪শত জন কৃষক প্রতি বিঘায় ১ কেজি বীজ, ডিএপি ১০ কেজি ও এমওপি ১০ কেজি, চিনাবাদাম চাষের জন্য ২৫০ জন কৃষক প্রতি বিঘায় ১০ কেজি বীজ, ডিএপি ১০ কেজি এবং এমওপি ৫ কেজি, সয়াবিন চাষের জন্য ১০০ জন কৃষক প্রতি বিঘায় ৮ কেজি বীজ, ডিএপি ১০ কেজি ও এমওপি ১০ কেজি, মুগ চাষের জন্য ৫ হাজার কৃষক প্রতি বিঘায় ৫ কেজি বীজ, ডিএপি ১০ কেজি ও এমওপি ৫ কেজি, মসুরের জন্য ৩৫০ জন কৃষক প্রতি বিঘায় ৫ কেজি বীজ, ডিএপি ১০ কেজি ও এমওপি ৫ কেজি এবং বারি-১ ও ২ জাতের খেসারী চাষের জন্য ৭৫০ জন কৃষক প্রতি বিঘায় ৮ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি, ৫ কেজি এমওপি পাচ্ছে। কৃষকদের বীজ, সার প্রদানের জন্য পরিবহন খরচ বাবদ বরাদ্দ রয়েছে ৮ লক্ষ ৩ হাজার ৫৫০ টাকা। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, পিরোজপুর এর উপ পরিচালকের কার্যলয়ের উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা অরুন রায় বাসস কে জানান, সরকারের এ প্রণোদনা সহায়তায় কৃষকদের মাঝে ভুট্টা, শীতকালীন মুগ, খেসারী, সয়াবিন, গম, মসুর, চিনাবাদাম, সূর্যমূখী চাষাবাদের আগ্রহ সৃষ্টি হবে এবং এ সকল রবিশস্যের উৎপাদন উল্লেখযোগ্য পরিমানে এ জেলায় বৃদ্ধি পাবে বলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আশাবাদী।