সাভারে গৃহবধূ ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি বাগেরহাটে গ্রেফতার


Md Firoj প্রকাশের সময় : ফেব্রুয়ারী ৩, ২০২৪, ১২:৫০ অপরাহ্ন /
সাভারে গৃহবধূ ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি বাগেরহাটে গ্রেফতার

খুলনা প্রতিনিধি

সাভারে চাঞ্চল্যকর গৃহবধূ ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি মোসলেম মোল্লাকে (৪০) বাগেরহাট থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাতে র‌্যাব-৬-এর সদস্যরা শরণখোলা উপজেলার রায়েন্দা বাজার থেকে তাকে গ্রেফতার করে।

র‌্যাব ৬-এর পরিচালক লে. কর্নেল মোহাম্মদ ফিরোজ কবীর জানান, ধর্ষণের শিকার নারী পেশায় একজন ছাত্রী। পাশাপাশি ঢাকার মিরপুরে একটি কসমেটিকসের দোকানে চাকরি করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিল। প্রতিদিনের মতো গত ২৭ জানুয়ারি নিজ কর্মস্থল থেকে বাসায় ফেরার পথে রাত ১০টা ২০ মিনিটের দিকে সাভার মডেল থানাধীন বেগুনবাড়ি গুদারাঘাট হয়ে পাঁচকানিঘাট কাউন্দিয়া যাওয়ার জন্য ২ নম্বর আসামি সেলিমের (৩৮) ডিঙি নৌকায় ওঠে। এরপর ১ নম্বর আসামি মোসলেম মোল্লাও ওই নৌকায় ওঠে। পরবর্তী সময়ে আসামিদ্বয়ের পূর্বপরিকল্পনা মোতাবেক নদীর মাঝ পথে পৌঁছামাত্র ১ নম্বর আসামি ওই নারীকে ধর্ষণ করে। এ সময় আত্মরক্ষার্থে ডাক-চিৎকার করলে তাকে নদীতে ফেলে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। একপর্যায়ে অচেতন হয়ে পড়েন ওই নারী।

যথাসময়ে না পৌঁছানোর কারণে নদীর অপর পাড়ে অপেক্ষমাণ তার স্বামী ও শ্বশুর অন্য একটি নৌকা নিয়ে তাকে খোঁজ করতে থাকে। একপর্যায়ে রাত সোয়া ১২টার দিকে ডিঙি নৌকা থেকে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে ওই নারীর স্বামী ও তার শ্বশুর সাভার উপজেলা কমপ্লেক্সে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা করান।

এ বিষয়ে ধর্ষণের শিকার ওই নারী বাদী হয়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় ধর্ষণ এবং ধর্ষণের কাজে সহায়তার মামলা করেন। র‌্যাব গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির মাধ্যমে জানতে পারে যে, ধর্ষণের মূল হোতা বাগেরহাট জেলায় অবস্থান করছে। বিষয়টি জানতে পেরে র‌্যাব-৬ (সদর কোম্পানি) খুলনার একটি অভিযানিক দল চাঞ্চল্যকর ধর্ষণের মূল হোতাকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত রাখে। এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-৬ খুলনা ক্যাম্পের একটি চৌকস অভিযানিক দল শুক্রবার দিবাগত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাগেরহাট জেলার শরণখোলা থানাধীন রায়েন্দা বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।

এ সময় র‌্যাব ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি ঢাকার আমিনবাজারের মোসলেম মোল্লাকে গ্রেফতার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করে।