৭ জানুয়ারির পর আমার কাছে যা চাইবেন, দেওয়ার চেষ্টা করবো: মাশরাফি


Md Firoj প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ২৫, ২০২৩, ২:৫৪ অপরাহ্ন /
৭ জানুয়ারির পর আমার কাছে যা চাইবেন, দেওয়ার চেষ্টা করবো: মাশরাফি

নড়াইল প্রতিনিধি

নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের প্রার্থী ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মর্তুজা বলেছেন, ‘বিশ্বাস করেন মন থেকে বলছি, গত পাঁচ বছরে আমার নির্বাচনি এলাকার কোনও কাজে গাফিলতি করিনি। করোনার কারণে দুই বছর কাজের সুযোগ পাইনি। তবে সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি। আগামী ৭ জানুয়ারি নৌকায় ভোট দিয়ে আপনারা যদি আমাকে আবারও নির্বাচিত করেন, গত পাঁচ বছর যত উন্নয়ন করেছি, তার দ্বিগুণ করবো—ইনশাআল্লাহ।’

সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) দিনব্যাপী নড়াইলের লোহাগাড়া উপজেলার মোল্যার মাঠে ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পের মাধ্যমে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা এবং ওষুধ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে এসব কথা বলেন তিনি। নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশন ও ডক্টরস স্পেশালাইজড হাসপাতালের যৌথ আয়োজনে এই মেডিক্যাল ক্যাম্পে পাঁচ হাজার রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ দেওয়া হয়েছে। 

আপনারা ভোট দিলে আমার কাজের স্পৃহা বেড়ে যাবে উল্লেখ করে মাশরাফি বলেন, ‘কেন্দ্রে দিয়ে আপনাদের মূল্যবান ভোটটি আমাকে দেবেন। বিগত দিনের কাজের মূল্যায়ন করে যদি মনে করেন, মাশরাফিকে ভোট দেওয়ার মতো, তাহলে দেবেন, না হয় দেবেন না। আমি আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হতে চাই। ৭ জানুয়ারির পর আপনারা আমার কাছে যা যা চাইবেন, আমি দেওয়ার চেষ্টা করবো।’

সঠিক চিকিৎসাসেবা পাওয়া একজন রোগীর অধিকার উল্লেখ করে মাশরাফি বিন মর্তুজা বলেন, ‘সুস্থ থাকার তাগিদে মানুষকে চিকিৎসকের কাছে যেতে হয়। নড়াইল জেলার মানুষ যাতে উন্নত চিকিৎসাসেবা পান সে ব্যাপারে আমি সবসময় চেষ্টা করে থাকি। আজকের ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প তারই অংশ। বর্তমান সরকারের আমলে ১০০ শয্যার নড়াইল সদর হাসপাতাল ২৫০ শয্যায় উন্নীত হয়েছে। এটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দ্রুত উদ্বোধন করবেন। ৩১ শয্যার লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়েছে। এই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ভবিষ্যতে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হবে, সে চেষ্টাও করছি।’

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন স্বাচিপ নেতা অধ্যাপক ডা. ওয়াহিদুর রহমান, অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম, ডা. সুজিত কুন্ডু, নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম অনিক ও লোহাগাড়া পৌরসভার মেয়র সৈয়দ মসিয়ূর রহমান।

ক্যাম্পে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল, খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, নড়াইল সদর হাসপাতাল ও লোহাগড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৪০ জন মেডিসিন, ক্যানসার, অর্থোপেডিক, গাইনি, নিউরোলজিস্ট, ইউরোলজিস্ট, সার্জন, নাক কান ও গলা, ডেন্টাল, শিশুরোগ, চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেন।