শেষ জুটিতে গ্রিন চমকে দিলেও ব্যাটিংয়ে ভুগলো নিউজিল্যান্ড


Assroy প্রকাশের সময় : মার্চ ১, ২০২৪, ১:০১ অপরাহ্ন /
শেষ জুটিতে গ্রিন চমকে দিলেও ব্যাটিংয়ে ভুগলো নিউজিল্যান্ড

স্পোর্টস ডেস্ক

ওয়েলিংটনের পিচ হঠাৎ করে বোলিং স্বর্গ হয়ে উঠলো। নিউজিল্যান্ডকে দুইশর আগেই অলআউট করে দেওয়ার পর অস্ট্রেলিয়া দ্রুত হারায় দুই ব্যাটারকে। অথচ তাদের শেষ উইকেটে জশ হ্যাজেলউডের সঙ্গে ক্যামেরন গ্রিন অবিশ্বাস্য জুটিতে ধারণা করা হচ্ছিল, ব্যাটাররােই দাপট দেখাবেন। কিন্তু হলো উল্টো, যাতে বিপাকে পড়লো নিউজিল্যান্ড। ১৩ উইকেট পড়ার দিনে নাথান লিয়নের ঘূর্ণিতে দিন শেষে সফরকারী অস্ট্রেলিয়াই আধিপত্য ধরে রেখেছে।

৯ উইকেটে ২৭৯ রানে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে অস্ট্রেলিয়া। হ্যাজেলউডকে নিয়ে গ্রিনের একশ ছাড়ানো জুটিতে ৩৮৩ রানে থামে তারা। তারপর ২৯ রানে ৫ উইকেট হারানো নিউজিল্যান্ড টেনেটুনে ১৭৯ রানে অলআউট হয়। অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় ইনিংসে ২ উইকেটে ১৩ রান করে দিনের খেলা শেষ করেছে। এখনও তারা ২১৭ রানে এগিয়ে, হাতে আছে ৮ উইকেট।

১০৩ রানে গ্রিন, আর রানের খাতা না খুলে শুক্রবার খেলা শুরু করেন হ্যাজেলউড। সাবধানী ব্যাটিংয়ে গ্রিন তার ইনিংসকে দেড়শ ছাড়িয়ে নেন। ২২৫ বলে ২০ চার ও ৪ ছয়ে ১৫০ রান করেন তিনি।

হ্যাজেলউডকে নিয়ে চারশ পার করার সম্ভাবনা জাগান গ্রিন। কিন্তু ম্যাট হেনরি পঞ্চম উইকেট নিলে সম্ভাবনা ধুলোয় মিশে যায়। ৬২ বলে ২২ রান করে আউট হন হ্যাজেলউড। ২৭৫ বলে ২৩ চার ও ৫ ছয়ে ১৭৪ রানে অপরাজিত ছিলেন গ্রিন।

৭০ রান খরচায় ৫ উইকেট নিয়ে নিউজিল্যান্ডের সেরা বোলার হেনরি।

জবাব দিতে নেমে ব্যাটিং ধসের মুখোমুখি হয় স্বাগতিকরা। দুই তারকা কেন উইলিয়ামসন ও রাচিন রবীন্দ্র রানের খাতা খুলতে পারেননি। মিচেল স্টার্ক, প্যাট কামিন্স, হ্যাজেলউড ও মিচেল মার্শের তোপে একশ করাই কঠিন হয়ে উঠেছিল। টম ব্লান্ডেল ও গ্লেন ফিলিপস ৮৪ রানের জুটিতে প্রতিরোধ গড়েন। 

তাদের জুটি ভেঙে দিয়ে লিয়ন দারুণ ব্রেকথ্রু আনেন। ব্লান্ডেল ৩৩ রানে অজি স্পিনারের শিকার হন। একই ওভারে লিয়ন ফেরান স্কট কুগেলেইনকে।

তারপর ফিলিপস ও হেনরির শেষ প্রতিরোধে দেড়শ পার করে কিউইরা। ইনিংস সেরা ৭১ রান করে ফিলিপস হ্যাজেলউডের শিকার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪২ রান করেন হেনরি।

লিয়ন ৪৩ রান দিয়ে চার উইকেট নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সফল বোলার।

২০৪ রানের লিড নিয়ে খেলতে নেমে অস্ট্রেলিয়া দ্রুত উইকেট হারায়। টিম সাউদি ইনিংসের তৃতীয় বলে বোল্ড করেন স্টিভ স্মিথকে। মার্নাস লাবুশেনও (২) নিউজিল্যান্ড পেসারের বলে টম ব্লান্ডেলের গ্লাভসে ধরা পড়েন। নাইটওয়াচম্যান লিয়ন দিনের শেষ বলে থার্ড স্লিপে সাউদির হাত ফসকে জীবন পান। নয়তো দুইয়ের জায়গায় তিন উইকেট লেখা থাকতো অস্ট্রেলিয়ার স্কোরবোর্ডে।